বাংলাদেশে বর্তমানে সবকিছুরই সাম্প্রদায়িকীকরণ সম্পন্ন হয়েছে। কি রাজনীতি,কি অর্থনীতি,কি সমাজনীতি,কি শিক্ষানীতি।বর্তমান প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত যে পাঠ্যপুস্তক রয়েছে সেগুলো পড়ে যদি একটি ছেলে বা মেয়ে বড় হয়,তাহলে তাকে আর জোড় করে মুসলিম বানাতে হবে না,সে আপনা-আপনিই মুসলিম মানসিকতা সম্পন্ন হয়ে উঠবে।দেশের যে অনুসঙ্গটিকে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত মনে করা হত তা হল সংস্কৃতি।কিন্তু বিগত দু'দশক থেকে সেখানেও ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িকীকরণ হয়েছে।বাংলাদের সবচেয়ে প্রবীণ জীবিত কবি আল মাহমুদ একজন সাম্প্রদায়িক মানুষ,তাঁর সৃস্টিও ধর্মীয় উপাদানে ভরা।আর নাটকে এবং চলচিত্রে ধর্মের মাত্রারিক্ত ব্যবহার তো আছেই।এই রকম সাংস্কৃতির মাধ্যমে একটি ধর্মকে হেয় প্রতিপন্য করার একটি উদ্দেশ্যমূলক মিউজিক ভিডিও নিয়ে আজকে আলোচনা করব।
। শর্ট টেলিফ্লিম দুরবীন এ তাহসানের
মোমের দেয়ালের মিউজিক ভিডিওটি দেখুন।
হিন্দু পুজো পাট করা মেয়ে নন্দিতা কিভাবে,
নামাজি- রোজাদার রাশেদেরর প্রেমে পড়ে। কিভাবে
সেক্যুলার সেজে নামাজি রাশেদ(তাহসান) নন্দিতার
পুজোর পায়েস খায়। অনেকেই মনে করবেন এতে দোষের কি আছে।প্রেমে ও পড়তেই পারে।আমার মতেই দোষের কিছুই নেই।কিন্তু যখন মোমের দেওয়াল বলা হয় সমস্যাটি এখানেই।এখানে মোমের দেওয়াল বলতে আসলে নন্দিতা মানে হিন্দু মেয়েটির ধর্ম এবং সংস্কৃতিকে বুঝানো হয়েছে কৌশলে,কেননা মোমের দেওয়াল যেমন ক্ষণস্হায়ী এবং ঠুনকো,তেমনি হিন্দু মেয়েটির ধর্ম বিশ্বাসও ঠুনকো।আর রাসেদ( তাহসান) সেই
দেয়াল বা নন্দিতা নামে হিন্দু মেয়েটির ধর্ম বিশ্বাস টুনকো আর
তাহসান সেই মোমের দেয়াল ভাঙ্গতে চায়।
ভিডিওটি দেখুন পরিষ্কার হয়ে যাবে
কিভাবে রোমান্টিক গান ও রোমান্টিক
কাপলের প্রেমের কেমিষ্ট্রির মাধ্যমে হিন্দু
বিশ্বাস মানে মোমের দেয়াল মানে টুনকো
বিশ্বাস মুসলিম প্রেমিক তাহসান ভাঙ্গছে।
যা আরো প্ররোচনা দিবে অমুসলিম মেয়েদের
মুসলিম ছেলেদের সাথে প্রেমে জড়াতে।
এখানে এক পর্যায়ে দেখা যায় নন্দিতা দেবতার
নৈবধ্য ও ধুপের ধুয়ো দেবতার বিশ্বাস হতে,পতিদেবতা তাহসানের বিশ্বাসের
দিকে ধাবিত হচ্ছে।তার মানে তাহসান
তাকিয়ার প্রেমের মাধ্যমে হিন্দু নন্দিতার
মোমের দেয়াল কে ভেঙ্গে দিচ্ছে।এখানে
মোমের দেয়াল যে হিন্দু ধর্ম বিশ্বাস তা
বুঝতে অনেক বড়ো পন্ডিত হবার প্রয়োজন
নেই।
এখন শিল্প ও সংস্কৃতির মধ্যে ও এক ধর্মের কাছে আরেক ধর্মের পরাজয়ের কাহিনী দেখানো হচ্ছে। হিন্দু ধর্মকে ছোট করা হয়েছে।
গানের নাম ঃ মোমের দেয়াল শিল্পি।এর প্রভাব হচ্ছে দুই ধরনের অন্যধর্মের ছেলে মেয়েরা নিজেদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে হিনমন্যতায় ভুগবে,তারা ভাববে তাদের ধর্মতা এবং সামাজিক প্রথাগুলো কুসংস্কার। দ্বীতিয়ত, নিজেদের ধর্ম বিশ্বাসকে ভাববে ঠুনকো,ইসলামী বিশ্বাসের প্রতি আকৃস্ট হবে।এ ছাড়াও এর দ্বারা পুরুষতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নারীর অসহায় আত্নসমর্পণের চিত্রও অঙ্কিত হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন